মেনু নির্বাচন করুন
Text size A A A
Color C C C C
পাতা

হাসপাতাল ও ক্লিনিক

হাসপাতাল ও ক্লিনিক সমূহঃ

 

১। করিমগঞ্জ হাসপাতাল

 

 

হাসপাতাল বলতে এক ধরণের চিকিৎসা প্রতিষ্ঠানকে বোঝায়। বর্তমানে হাসপাতাল বলতে এমন প্রতিষ্ঠানকে বোঝায় যেখানে বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকগণ ও সেবাকর্মীগণ প্রয়োজনীয় উপকরণের মাধ্যমে রোগীদের সেবা প্রদান করেন। অনেক সময়েই হাসপাতালে রোগীর দীর্ঘমেয়াদী চিকিৎসার জন্য আবাসিক শয্যার ব্যবস্থাও থাকে। হাসপাতালসমূহ সরকারী, বেসরকারী (দাতব্য কিংবা মূনাফাভিত্তিক) অথবা বীমা প্রতিষ্ঠান দ্বারা পরিচালিত হতে পারে। প্রাচীনকালে ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানসমূহ হাসপাতাল পরিচালনার কাজে নিয়মিত নিয়োজিত থাকতেন। বর্তমানে সারা বিশ্বে আনুমানিক ১৭০০০ হাসপাতাল রয়েছে।

 

হাসপাতাল সমাজসেবা কার্যক্রম

 

রোগ মানুষের স্বভাবাবিক জীবনকে মারাত্মকভাবে ব্যহত করে অসহায় করে তোলে। দূর্দশাগ্রস্ত দরিদ্র রোগীদের জন্য অসুস্থতা বিষয়টি চরম অসহনীয়। রোগগ্রস্ত দরিদ্র মানুষকে তাদের মৌলিক অধিকার চিকিৎসা সেবা প্রাপ্তির বিষয়টি নিশ্চিত করার জন্য হাসপাতাল সমাজকর্মের গুরুত্ব ও কার্যকারিতা অপরিসীম। হাসপাতাল সমাজসেবা কার্যক্রমের মাধ্যমে দরিদ্র অসহায় রোগীদের মানসিক, পারিবারিক, সামাজিক, অর্থনৈতিক, অসুস্থ্যতা বিষয়ক বিভিন্ন সহায়তার পাশাপাশি ও রোগীর সুচিকিৎসার জন্য প্রয়োজনীয় অন্যান্য তথ্য সংগ্রহের মাধ্যমে রোগীর রোগমুক্তির জন্য চিকিৎসক, হাসপাতাল কর্তৃপক্ষকেও সহায়তা করা হয়। রোগীর মানসিক শক্তি বৃদ্ধি, চিকিৎসার ব্যয় বহন, চিকিৎসককে রোগীর রোগ ও রোগের কারণ সম্পর্কে বিভিন্ন তথ্য প্রদান এবং চিকিৎসা শেষে তার পুনর্বাসনের জন্য সহায়তা প্রদান করা হয়। ১৯৫৯ সালে ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে এই সেবা প্রথম চালু হয় এবং বর্তমানে দেশব্যাপী সিটি কর্পোরেশন ও জেলা পর্যায়ের ৯০টি সরকারি বেসরকারি হাসপাতালে সমাজসেবা অধিদফতরের মাধ্যমে সেবা কার্যক্রম চালু আছে। এছাড়াও উপজেলা পর্যায়ে ৩৪২টি উপজেলায় উপজেলা রোগী কল্যাণ সমিতির মাধ্যমে এ কার্যক্রমটি সম্প্রসারণ করা হয়েছে।

 

সেবা

  • হাসপাতালে ভর্তি ও চিকিৎসা প্রাপ্তিতে সহায়তা
  •  

    সেবা প্রাপ্তির প্রয়োজনীয় সময়

    কর্ম দিবসের সকাল ৮টা হতে দুপুর ২টা ৩০মি:

     

    প্রয়োজনীয় ফি/ট্যাক্স/আনুষঙ্গিক খরচ

    হাসপাতাল সমাজসেবা কার্যক্রমে সম্পূর্ণ বিনামূল্যে সেবা প্রদান করা হয়

     

    সংশ্লিষ্ট আই/বিধি/ নীতিমালা

     

    সেবা গ্রহীতা

    হাসপাতালে আগত অসহায়, দরিদ্র বা দুস্থ রোগী

     

    কার্যক্রম বাস্তবায়ন সংশ্লিষ্টগণ

    সমাজসেবা অধিদফতরের কার্যক্রম শাখা এ কার্যক্রমটি বাস্তবায়ন করে থাকে। পরিচালক (কার্যক্রম) এর নেতৃত্বে সদর দপ্তর পর্যায়ে এবং মাঠপর্যায়ে ৮৯ জন হাসপাতাল সমাজসেবা অফিসার এ কার্যক্রম বাস্তবায়নের সাথে সংশ্লিষ্ট। উপজেলা পর্যায়ে উপজেলা সমাজসেবা অফিসার উপজেলা রোগী কল্যাণ সমিতির সদস্যসচিব হিসেবে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে এ কার্যক্রম বাস্তবায়নে সস্পৃক্ত রয়েছেন। জেলা পর্যায়ের ৬৪টি জন উপ-পরিচালক ও ২২ জন সহকারী পরিচালক মাঠ পর্যায়ের কার্যক্রম তদারকি এবং মাঠ পর্যায় ও সদর দপ্তরের মধ্যে সমন্বয় সাধন করে থাকেন। মাঠ পর্যায়ে রোগী কল্যাণ সমিতি কার্যক্রম বাস্তবায়ন কর্তৃপক্ষ। হাসপাতাল সমাজসেবা অফিসার ও সংশ্লিষ্ট হাসপাতালের চেয়ারম্যান/প্রেসিডেন্ট/সভাপতি/নির্বাহী পরিচালক/স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা  কার্যক্রম বাস্তবায়ন কমিটির যথাক্রমে সদস্য-সচিব ও সভাপতি হিসেবে কাজ করেন।

     

    সেবাদান কেন্দ্র

     

    কার্যাবলি

     

    নাগরিকদের সহযোগিতার ক্ষেত্র

     

    সেবা প্রদানের সময়সীমা

    রোগী চিহ্নিত হওয়া বা রোগী আবেদন করার পর তাৎক্ষণিক ভাবে।

     

    যার সাথে যোগাযোগ করতে হবে

  • বিনামূল্যে ঔষধ, সহায়ক যন্ত্রপাতি, কৃত্রিম অঙ্গ, বিভিন্ন চিকিৎসা সমাগী ও পথ্য সরবরাহ বা এসব সংগ্রহের জন্য নগদ আর্থিক সহায়তা
  • পরিধেয় পোষাক প্রদান
  • রক্ত সরবরাহ বা ক্রয়ে নগদ অর্থ সহায়তা
  • পুষ্টিকর খাবার সরবরাহ
  • অবাঞ্ছিত শিশু পুনর্বাসন
  • রোগের কারণে পরিবারে অবাঞ্ছিত রোগীদের পরিবারে পুনর্বাসন
  • হাসপাতাল/চিকিৎসা কেন্দ্র স্থানান্তরে সহায়তা
  • রোগীদের স্বাস্থ্যসচেতনা/ প্রথমিক চিকিৎসা বিষয়ে অবহিতকরণ
  • গুরুতর অসুস্থতা, অপারেশন ইত্যাদি ক্ষেত্রে মানসিক বিপযস্ত রোগী বা রোগীর
  • রোগীর সাথে পারিবারিক ও সামাজিক যোগাযোগ স্থাপনে সহায়তা
  • স্বজনদের কাউন্সেলিং প্রদানের মাধ্যমে মনোবল বৃদ্ধি সহায়তা
  • নাম পরিচয় বিহীন দরিদ্র মৃত ব্যক্তির সৎকারের ব্যবস্থা করা
  • রোগ মুক্তির পর নগদ আর্থিক সহায়তা
  • হাসপাতাল সমাজসেবা কার্যক্রম বাস্তবায়ন নীতিমালা- ২০১১
  • স্বেচ্ছাসেবী সমাজকল্যাণ সংস্থাসমূহ (নিবন্ধন ও নিয়ন্ত্রণ) অধ্যাদেশ, ১৯৬১ অনুসারে সংশ্লিষ্ট রোগী কল্যাণ সমিতির গঠনতন্ত্র
  • সকল জেলা সদরে অবস্থিত সরকারি হাসপাতাল;
  • বিভিন্ন মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতাল হাসপাতালসমূহ;
  • বঙ্গবন্ধু মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয় হাসপাতাল;
  • বিভিন্ন বৃহৎ হাসপাতাল যেখানে দরিদ্র রোগীদের চিকিৎসা গ্রহণের হার অধিক;
  • উপজেলা পর্যায়ের ৩৪২টি উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে অবস্থিত রোগী কল্যাণ সমিতি।
  • হাসপাতাল সমাজসেবা অফিসসমূহের যোগাযোগ ঠিকানা দেখতে এখানে তালিকা দেখুন...
  • দরিদ্র ও অসহায় রোগী চিহ্নিতকরণ
  • রোগীর চাহিদা নিরূপন
  • রোগী চাহিদা অনুযায়ী সহায়তা প্রদান
  • চিকিৎসককে রোগী সম্পর্কে তথ্য প্রদান;
  • রোগীর যাবতীয় তথ্য সংগ্রহ, কেইস ওয়ার্ক তৈরী ও সংরক্ষণ;
  • রোগীদের চিত্তবিনোদনের ব্যবস্থা করা;
  • রোগী কল্যাণ সমিতি পরিচালনা;
  • রোগী কল্যাণ সমিতি পরিচালনার জন্য অর্থ সংগ্রহ
  • দরিদ্র রোগী সম্পর্কে হাসপাতাল সমাজসেবা কার্যালয়ে অবহিতকরণ;
  • কার্যক্রম পরিচালনায় কোন ব্যত্যয় পরিলক্ষিত হলে কর্তৃপক্ষকে অবহিত করা;
  • রোগী কল্যাণ সমিতিতে যাকাত, ফিতরা, দানসহ ইত্যাদি আর্থিক সহায়তা করা;
  • রোগীদের প্রতি প্রতি সহমর্মি আচরণ করা;
  • সংশ্লিষ্ট হাসপাতাল সমাজসেবা অফিসার, হাসপাতাল সমাজসেবা কার্যালয় এবং উপজেলা পর্যায়ে উপজেলা সমাজসেবা অফিসার।
  • হাসপাতালের সভাপতি/পরিচালক/নির্বাহী পরিচালক/প্রেসিডেন্ট বা উপ-পরিচালক, সংশ্লিষ্ট জেলা সমাজসেবা কার্যালয়, সমাজসেবা অধিদফতর;
  • পরিচালক (কার্যক্রম), ফোন +৮৮০২ ৯১১১৭৪৯, মহাপরিচালক, সমাজসেবা অধিদফতর, ফোন +৮৮০২ ৯১৩ ১৯ ৬৬, ফ্যাক্স +৮৮০২ ৯১৩৮৩৭৫, E-mail: info@dss.gov.bd; ঠিকানা: সমাজসেবা অধিদফতর, সদর কার্যালয় ই-৮/বি-১, আগারগাঁও, শেরে বাংলা নগর, ঢাকা-১২০৭।